Monday , 3 October 2022
আপডেট
Home » জাতীয় » ছাত্রলীগ কর্মীর উদ্যোগে পুরান ঢাকার লালবাগে পালিত হলো বঙ্গবন্ধুর ৪৭ তম মৃত্যুবাষির্কী
ছাত্রলীগ কর্মীর উদ্যোগে পুরান ঢাকার লালবাগে পালিত হলো বঙ্গবন্ধুর ৪৭ তম মৃত্যুবাষির্কী
বঙ্গবন্ধুর ৪৭ তম মৃত্যুবাষির্কী

ছাত্রলীগ কর্মীর উদ্যোগে পুরান ঢাকার লালবাগে পালিত হলো বঙ্গবন্ধুর ৪৭ তম মৃত্যুবাষির্কী

হিমেল নোমান :
১৫ইং আগস্ট জাতীয় শোক দিবস জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও তবারক বিতরণ সহ তরুন ছাত্রনেতার ব্যতিক্রম আয়োজন।
১৫ই আগষ্ট বাংঙ্গালীর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যু বাষিকী আর এই দিনটাতে সবস্তরের মানুষের মাঝে যেনো একটা শোক বিরাজ করে তবে এই শোক কে শক্তিতে রুপান্তর করে লালবাগ থানা ছাত্রলীগের বিপ্লবী সাংগঠনিক সম্পাদক, রাসেল হোসেন অনন্ত এবং তার সহযোদ্ধারা পুরান ঢাকার লালবাগের বিভিন্ন মসজিদে শেখ মুজিবুর রহমানের মাগফিরাত কামনা চেয়ে দোয়া চান এবং গরীব দুঃস্থদের মাঝে তবারক বিতরণ করে। এইদিন প্রধান অতিথি হিসেবে থাকেন ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক ছাত্রনেতা, জনাব আখতার হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকেন মোকাদ্দেস হোসেন জাহিদ (২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন) দোয়া পরিচালনা করেন ২৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মহসিন আজাদ। উক্ত অনুষ্ঠানে রাসেল হোসেন অনন্ত বলেন বঙ্গবন্ধুর খুনের যে কলঙ্ক বাঙালি জাতির ললাটে লেপন করা হয়েছিল, এ কলঙ্ক কোনোদিনই মুছে যাবে না। তিনি বাঙালির অধিকারের প্রশ্নে জীবনের প্রায় ১৪ বছর কারাগারে কাটিয়েছেন। অথচ তিনি চাইলে পাকিস্তানিদের সঙ্গে সমঝোতা করে নেতা হিসেবে রাষ্ট্র ও সরকারে থাকতে পারতেন। কিন্তু বাঙালির স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনার লক্ষ্যে তিনি জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। পাকিস্তানিরা তাকে ফাঁসি দিতে পারেনি। কিছু কুলাঙ্গার বাঙালি তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড শুধুমাত্র একজন ব্যক্তি মুজিবের হত্যাকাণ্ড হিসেবে বিবেচনার অবকাশ নেই। এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হত্যার চেষ্টা।
পরিশেষে অনন্ত বলেন –
“ওরা ভেবেছিলো বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেই হয়ে যাবে সব শেষ ,
ওরা বুঝতে পারে নাই বঙ্গবন্ধু মানেই তো স্বাধীন বাংলাদেশ।”
এই বলে বক্তব্য শেষ করেন ছাত্রনেতা রাসেল হোসেন অনন্ত।
আয়োজক: ইমন, আলামীন, ইমন, রিদয়, কোরবান, রাব্বি,তুষার, মনির, সজিব, রাকিব, মাহবুব, গাফফার, আমান, ইউসুফ, রনি, সোহাগ, বিজয়, শাকিল ও মারুফ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*