News update
  • গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার উপর আরও জোর দেওয়ার জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান     |     
  • আহ্বায়ক টিএইচএম জাহাঙ্গীর ও সদস্য সচিব বিল্লাল হোসেন     |     
  • মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের কেন্দ্র পরিদর্শনে যাবেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গর্ভনরেরা     |     
  • শিক্ষা উপদেষ্টার সাথে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি' আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ      |     
  • দেশে বছর দেড় লাখ মানুষ ক্যান্সার আক্রান্ত হচ্ছে- ক্যান্সার বিশেষজ্ঞদের মতামত      |     
খবর 2025-12-22, 10:35pm

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন আয়োজিত সাংবাদিকদের মিলনমেলা ও বনভোজন

unnamed-4af52202f77beb11ba59ce2056aa78781766421350.jpg


ওমর ফারুক: পেশাগত ঝুঁকি, নিরাপত্তাহীনতা ও অবহেলার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান জোরদারের প্রত্যয়ে সাংবাদিকদের এক মিলনমেলায় রূপ নেয় সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন-এর বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ ও বনভোজন–২০২৫। এটি ছিল শুধু বিনোদনের আয়োজন নয়; বরং সাংবাদিক সমাজের সংহতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অধিকার রক্ষার এক দৃঢ় বার্তা।

বৃহস্পতিবার ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার পুবাইল এলাকায় অবস্থিত হিজল-তমাল রিসোর্টে সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া দিনব্যাপী এ আয়োজনে দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগ থেকে আগত প্রায় ৪২০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে মিলনমেলাটি পরিণত হয় সাংবাদিক সমাজের এক বৃহৎ সম্মিলনে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, *“সাংবাদিকতা আজ দেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পেশাগুলোর একটি। পেশাগত মর্যাদা, নিরাপত্তা ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে সংগঠিত শক্তির কোনো বিকল্প নেই।”*

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আজম খাঁন, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, মানবাধিকার সংগঠক এবং দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও প্রকাশকরা। তাঁদের উপস্থিতি আয়োজনকে কেবল উৎসবমুখরই নয়, বরং তাৎপর্যপূর্ণ ও প্রতিবাদী মাত্রা প্রদান করে।

দিনব্যাপী আয়োজনে ছিল খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সংগীত ও আবৃত্তি। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি সাংবাদিকদের জন্য ছিল পরিপূর্ণ আপ্যায়নের ব্যবস্থা—সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সুসংগঠিত খাবার ও বিশ্রামের আয়োজন।

আয়োজকরা জানান, কর্মব্যস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ সাংবাদিক জীবনের চাপ থেকে সাময়িক বিরতি এনে এমন মিলনমেলা সাংবাদিকদের মানসিক শক্তি জোগায়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সাংবাদিক নির্যাতন, হয়রানি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে লড়াই করার অনুপ্রেরণাও সৃষ্টি করে।

দিনশেষে অংশগ্রহণকারীরা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন—সাংবাদিকদের সুরক্ষা, কল্যাণ ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় এই ফাউন্ডেশন যেন আয়োজনের পাশাপাশি মাঠের বাস্তব লড়াইয়েও আরও কার্যকর ও দৃশ্যমান ভূমিকা রাখে।