News update
  • হাবিপ্রবিতে ৬ বছর পর আবার চালু হলো ডাক্তারদের রাত্রিকালীন ডিউটি     |     
  • সরিষাবাড়ীতে ধানের বীজ ও সার বিতরণ      |     
  • হাবিপ্রবিতে তেভাগা আন্দোলনের জনক হাজী মোহাম্মদ দানেশ এর ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত     |     
  • হাবিপ্রবিতে চুরির অপবাদ দিয়ে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ সিনিয়রের বিরুদ্ধে ; অভিযুক্তের অস্বীকৃতি      |     
  • শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে হাবিপ্রবি ছাত্রদল নেতা ফাহিমের নেতৃত্বে বৃক্ষরোপণ      |     
খবর 2026-07-01, 9:30pm

হাবিপ্রবিতে ৬ বছর পর আবার চালু হলো ডাক্তারদের রাত্রিকালীন ডিউটি

img_20260701_211337-853baf40a918850e1c5bed854ee707dd1782919801.jpeg


হাবিপ্রবি প্রতিনিধি: দীর্ঘ ৬ বছর পরে আবারও দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) মেডিকেল সেন্টারে চালু হয়েছে ডাক্তারদের রাত্রিকালীন ডিউটি।

উচ্চ শিক্ষার অন্যতম প্রতিষ্ঠান দিনাজপুরের এই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়টি।যেখানে দেশ বিদেশের ১২ হাজারের অধিক শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করেন। তাঁদেরকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বসবাস করছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন এসকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।তখন রাতেও প্রয়োজন হয় জরুরি চিকিৎসা সেবার। যা দীর্ঘ প্রায় ৬ বছর যাবৎ বন্ধ ছিল। বন্ধ থাকা সেবাটি পুনরায় চালু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

আপাততঃ সপ্তাহে চারদিন চলবে এ রাত্রিকালীন জরুরি চিকিৎসা সেবা।সপ্তাহের বুধবার, বৃহস্পতিবার, রবিবার এবং সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সেবা পাবেন। আজ বুধবার  (১ জুলাই) হাবিপ্রবি মেডিকেল সেন্টার শাখার প্রধান প্রফেসর ড.  মো. মহিদুল হাসানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সে হিসেবে আজ থেকেই এ রাত্রিকালীন জরুরি চিকিৎসা সেবা পাবেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

হাবিপ্রবি মেডিকেল সেন্টারের শাখা প্রধান প্রফেসর ড.  মো. মহিদুল হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বহু শিক্ষার্থীরা অবস্থান করেন। গভীররাতেও তাঁদের জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রয়োজন হয়। কিন্তু প্রায় ৬ বছর যাবৎ সেই রাত্রিকালীন জরুরি চিকিৎসা সেবা বন্ধ  ছিল।ডাক্তারের স্বল্পতা সত্বেও প্রাথমিকভাবে আমরা সপ্তাহে ৪ দিন রাত্রিকালীন চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা আজ থেকে চালু করেছি। যেন রাত্রিকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও রাতের বেলা জরুরি চিকিৎসা সেবা নিতে পারেন। আমি মাত্র এক মাস থেকে দায়িত্ব নিয়েছি। আশা রাখি ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় মেডিকেল সেন্টারের জন্য আরও প্রয়োজনীয় বিষয়ের যৌক্তিক সমাধান করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।