
হাবি প্রতিনিধি: দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (আইআরটি) এর উদ্যোগে ৫ দিনব্যাপী বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আজ রবিবার (২৬ জুলাই) সকাল ১০টায় অডিটোরিয়াম-২ এ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাবিপ্রবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. এম. জাহাঙ্গীর কবির।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. এনামউল্যা বলেন, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ এবং গবেষকবৃন্দ আপনাদের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালার উদ্বোধন করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। গবেষণা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণশক্তি। গবেষণাই জ্ঞান, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। মানসম্মত গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি হয় এবং উদ্ভাবনের পথ উন্মোচিত হয়। এই কর্মশালা আমাদের গবেষণার অগ্রগতি মূল্যায়ন, অভিজ্ঞতা বিনিময়, নতুন ধারণার বিকাশ এবং ভবিষ্যৎ গবেষণার দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আমাদের গবেষকদের সৃজনশীলতা, নিষ্ঠা ও পরিশ্রমই হাবিপ্রবিকে একটি অগ্রসরমান গবেষণামূলক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় গবেষকদের নিয়মিত গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ, নতুন গবেষণা প্রস্তাবনা তৈরির উদ্যোগ এবং সমাজের সাথে গবেষণার সংযোগ আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
আইআরটি’র পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আলমগীর হোসেন এর সভাপতিত্বে উক্ত কর্মশালায় ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে সম্পন্ন হওয়া ইন্ডিপেনডেন্ট গবেষণা প্রকল্প এবং ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের সমাপ্ত কোলাবরেটিভ গবেষণা প্রকল্পসমূহের চূড়ান্ত ফলাফল এবং ২০২৩-২০২৪ ও ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের চলমান কোলাবরেটিভ গবেষণা প্রকল্পসমূহের সার্বিক অগ্রগতি ও গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। এছাড়াও কর্মশালায় আইআরটি’র বার্ষিক গবেষণা প্রতিবেদনের মোড়ক উন্মোচন এবং ফিসারিজ অনুষদের ৪টি প্রজেক্ট উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইআরটি’র উপপরিচালক মো. শাহজাহান মন্ডল।
উল্লেখ্য, কর্মশালায় বিভিন্ন অনুষদের ডীন ও শিক্ষকবৃন্দসহ ১৩০ জন গবেষক অংশগ্রহণ করেন।