News update
  • ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী     |     
  • পুলিশসহ অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জনের মধ্য দিয়ে দ্রুত জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে হবে- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী      |     
  • টেকসই অবকাঠামো ও পেশাদারিত্বের অঙ্গীকার      |     
  • নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের চলমান প্রকল্পসমূহ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ নৌপরিবহন মন্ত্রীর     |     
  • শিক্ষা খাতে জবাবদিহিতা, নিয়ন্ত্রণ ও যুগোপযোগী সংস্কারে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার     |     
খবর 2026-01-26, 10:05pm

ইবিতে উচ্চশিক্ষার মানদণ্ড নিশ্চিতকরণ ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি অর্জনে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা

received_857892757113791-d86e65281316f0ce3e33f769ef6236191769443526.jpeg


ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) উচ্চশিক্ষার মানদণ্ড নিশ্চিতকরণ ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি অর্জনে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বেলা ১১ টার দিকে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির চতুর্থ তলায় ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেলের কার্যালয়ে (আইকিউএসি) অনুষ্ঠিত হয়। এ কর্মশালার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একটি মানসম্মত ও স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার গাইডলাইন প্রদান করা হয়।

জানা যায়, ইউজিসির অর্থায়নে হিট প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের (বিএসি) ও আইকিউএসি 'র যৌথ উদ্যাগে এ কর্মশালা আয়োজন করা হয়। 

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মুহাম্মদ নসরুল্লাহ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় স্বাগত বক্তা হিসেবে আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ড. নাজিম উদ্দীন এবং বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের পরিচালক অধ্যাপক নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ ও কর্মশালায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের পূর্ণকালীন সদস্য অধ্যাপক ড. এস. এম. কবির উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, কর্মশালায় সকল অনুষদীয় ডিন, হল প্রভোস্ট, বিভাগীয় প্রধান এবং অফিস প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। 

কর্মশালায় অতিথিবৃন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক, প্রশাসনিক ও গবেষণামূলক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা সম্প্রসারণ এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও অনুষদ ও শিক্ষার্থী সক্ষমতা বৃদ্ধি, গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ, সিলেবাস ও কোর্স মানের নিশ্চয়তা, এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দেন। একাডেমিক এক্রিডিটেশন প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা এবং নতুন শিক্ষাগত উদ্যোগ গ্রহণ সম্পর্কেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আলোচনা সভায় পরিবেশগত কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার বিষয়ও তুলে ধরা হয় এবং তার প্রেক্ষিতে কাউন্সিল সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক সকল কার্যক্রমে মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত পর্যালোচনা এবং রিপোর্টিংয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সভায় অংশগ্রহণকারীরা একমত হন যে মানসম্পন্ন শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে একটি মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

উল্লেখ্য, উন্মুক্ত আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্বে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নসুরুল্লাহ এবং বাংলাদেশ এক্রিডিটেশন কাউন্সিলের সচিব অধ্যাপক এ.কে. এম. মনিরুল ইসলাম অংশ নেন।