
হাবিপ্রবি প্রতিনিধি: দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ক সাংস্কৃতিক জোটের নতুন কমিটি গঠন হয়েছে।
এতে সভাপতি মনোনীত হয়েছেন ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্স অনুষদের ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী কামরুল হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. তাসনিমুল হাসান প্লাবন।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) অর্ক সাংস্কৃতিক জোটের এক বিবৃতিতে ২০২৫-২০২৬ সেশনের জন্য উক্ত আংশিক কমিটিতে প্রকাশিত হয়েছে। পরবর্তীতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশিত হবে।
নবনির্বাচিত সভাপতি কামরুল হাসান বলেন, সত্য ও সুন্দরের সন্ধানী অর্ক সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি নির্বাচিত হওয়াকে একটি সৌভাগ্য এবং গর্বের বিষয় বলেই মনে করছি । এক্ষেত্রে যদি ধন্যবাদ দেওয়ার বিষয়টা উঠে আসে তাহলে সংগঠনের সম্মানিত এলামনাই, সিনিয়র এবং বন্ধুদের ধন্যবাদ না দিলেই নয়। তবে সাংস্কৃতিক সংগঠনের একজন সদস্য হিসেবে ধন্যবাদ দেওয়াকে আমার কাছে নিছক একটা আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া অন্য কিছু মনে হয় না।
একটি সংগঠন কখনো একক বা দ্বৈতভাবে চালানো সম্ভব না এবং চলেও না। সংগঠনের প্রতিটি পদ এবং প্রতিটি সদস্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরো বলেন, সংগঠনের বর্তমান এবং অতীত প্রতিটি সদস্যদের সম্মিলিত সহায়তায় সংগঠনকে একটি নতুন মাত্রা দেওয়া এবং জাতীয় পর্যায়ে সংগঠনকে পরিচিত করা আমার ইচ্ছে আছে।আশা করি এই মহৎ চিন্তাধারায় আমাদের ক্যাম্পাস প্রশাসন তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে। অন্তত আমরা আমাদের ক্যাম্পাস অভিভাবকদের কাছ থেকে এতটুকু আশা করতেই পারি। সাংস্কৃতিক চিদন্তাধারার কোন নির্দিষ্ট সীমারেখা নেই তাই ক্যাম্পাসের প্রতিটি শিক্ষার্থীদের জন্য আমাদের সংগঠন সবসময় উন্মুক্ত। আমরা আপনাদের ভিন্নধর্মী চিন্তাভাবনাকে সবসময় সাদরে গ্রহণ করবো।
সাধারণ সম্পাদক মোঃ তাসনিমুল হাসান প্লাবন বলেন,সত্য ও সুন্দরের সন্ধানি অর্ক সাংস্কৃতিক জোটের সকলকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই আমার ওপর আস্থা রেখে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করার জন্য।এটি আমার কাছে কেবল একটি পদ নয়।এটি আমার সংগঠনের প্রতি দায়বদ্ধতার একটি শপথ। অর্ক বহু বছর ধরে আমাদের মাঝে সাংস্কৃতিক চেতনার মশাল জ্বালিয়ে রেখেছে। এই ঐতিহ্যের ভার ও মর্যাদা রক্ষা করাই আমার প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব হবে।সংগঠনের আদর্শ ও মূল্যবোধকে সমুন্নত রেখে আমি আমার সর্বোচ্চ শ্রম ও মেধা দিয়ে সংগঠনের জন্য কাজ করে যাবো।
তিনি আরো বলেন, সাংস্কৃতিক চর্চা কেবল মঞ্চে গান,নাচ বা নাটকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি হলো মানুষের ভেতরের সত্যকে জাগ্রত করার এবং চারপাশের সুন্দরকে আবিষ্কার করার একটি নিরন্তর প্রচেষ্টা। আমাদের সমাজের চলমান অস্থিরতার মাঝে, সুস্থ সংস্কৃতিই পারে মননের সঠিক বিকাশ ঘটাতে এবং মানবিক সম্পর্কগুলোকে আরও দৃঢ় করতে।শিল্পের মাধ্যমে সমাজের অসঙ্গতিগুলো তুলে ধরা এবং প্রগতিশীল চিন্তাধারার প্রসার ঘটানো সম্ভব।ক্যাম্পাসে সুস্থধারার সংস্কৃতি চর্চা হোক,ক্যাম্পাস হয়ে উঠুক রঙিন,ক্যাম্পাস থাকুক প্রানবন্ত।এই যাত্রায় সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
১৯৯৫ সালের ২ জুলাই গঠিত হওয়া সংগঠনটির এটি ৩০ তম কমিটি।