News update
  • ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী     |     
  • পুলিশসহ অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জনের মধ্য দিয়ে দ্রুত জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে হবে- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী      |     
  • টেকসই অবকাঠামো ও পেশাদারিত্বের অঙ্গীকার      |     
  • নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের চলমান প্রকল্পসমূহ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ নৌপরিবহন মন্ত্রীর     |     
  • শিক্ষা খাতে জবাবদিহিতা, নিয়ন্ত্রণ ও যুগোপযোগী সংস্কারে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার     |     
খবর 2026-01-11, 10:20pm

জুলাইবিরোধী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের শাস্তি নির্ধারণে ইবিতে নতুন কমিটি

img-20250923-wa0018-f1bc96cb822c5714d8cbfb700b30896b1768148450.jpg


ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জুলাই বিপ্লববিরোধী ভূমিকায় থাকা শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ধরণ পর্যালোচনা ও শাস্তির মাত্রা নির্ধারণে গঠিত রিভিউ কমিটি ফের পুনর্গঠন করা হয়েছে।

রবিবার (১১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানা যায়।

অফিস আদেশ সূত্রে, গত ২৪ ডিসেম্বর কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। কমিটিকে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট প্রদানের জন্য বলা হয়েছে। একইসঙ্গে কমিটি নতুন অভিযোগ গ্রহণ করতে পারবেন।

পুনর্গঠিত পাঁচ সদস্যের কমিটিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক আওরঙ্গজীব মো. আব্দুর রাহমানকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। এতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন- ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাকির হুসাইন, আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. শাফিউল ইসলাম ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মু. জাফর উল্লাহ তালুকদার।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত বছরের ১৫ মার্চ জুলাই বিপ্লববিরোধী শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের চিহ্নিতকরণে পাঁচ সদস্যের কমিটি করে প্রশাসন। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭১তম সিন্ডিকেট সভায় ১৯ শিক্ষক ও ১১ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত এবং ৩৩ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ও সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একইসঙ্গে সভায় তাদের শাস্তির মাত্রা নির্ধারণে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. পারভেজ আজহারুল হককে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের একটি রিভিউ কমিটি গঠন করে প্রশাসন। কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট প্রদানের জন্য বলা হয়। পরবর্তীতে কমিটির অধিকাংশ সদস্য কাজ করতে অপারগতা প্রকাশ করে পদত্যাগ করেন।